ঢাকা, শুক্রবার, ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ক্যাম্পাস
  4. খেলা
  5. জবস
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. ধর্ম
  9. প্রচ্ছদ
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

অনাস্থা প্রস্তাবকারী শিক্ষকরা সভায় আসেননি; কুবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা

প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, কুবি
ডিসেম্বর ৯, ২০২২ ৮:৪৯ অপরাহ্ণ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একটি পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় যোগ না দেয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কুবি শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার ( ০৮ডিসেম্বর) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী ও সাধারণ সম্পাদক ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে থেকে জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্র মেনে ৪র্থ সাধারণ সভা (জরুরি) শিক্ষক লাউঞ্জে আহ্বান করা হয়। এই সভার আলোচ্য সূচি ছিল শিক্ষক সমিতির কতিপয় শিক্ষক কর্তৃক আনীত ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০২২ এর প্রতি অনাস্থা বিষয়ে আলোচনা।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানা যায়, অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, যে সকল শিক্ষকবৃন্দ অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন শিক্ষক সমিতির প্রতি, তাদের কেউই সাধারণ সভায় উপস্থিত হননি। ফলে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, যারা অনাস্থা দিয়েছেন তারা শিক্ষক সমিতির গঠনতনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। তারা শিক্ষক সমিতির মতো পেশাজীবী সংগঠনকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, সাধারণ সভার আলোচ্যসূচি থাকে অনেকগুলো। জরুরি সাধারণ সভার হয় নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে। আজকের সভা শুধুমাত্র অনাস্থা বিষয়ে ছিল, সেজন্য জরুরিভাবে আহ্বান করা হয়েছে। তাছাড়া, উভয় সভা ডাকার পার্থক্য হলো সময়ে। প্রথমটিতে ৭ দিন, দ্বিতীয়টিতে ২৪ ঘন্টার কথা বলা হয়েছে। উদ্ভুত পরিস্তিতি সৃষ্টি হওয়ায় আমরা জরুরি সাধারণ সভা ডেকেছি।

সাধারণ সভায় যোগ না দেওয়া শিক্ষক নেতা কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, তাঁরা শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাধারণ সভা না ডাকায় আমরা অংশগ্রহণ করেনি। শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্রতে লিখা আছে অনাস্থার বিষয়ে যখন সাধারণ সভা ডাকা হয় তখন জরুরিভাবে ডাকা হয় না, শুধু সাধারণ সভা ডাকতে হয়। এ কারণে সাধারণ সভায় আমাদের অংশগ্রহণ করাও গঠতন্ত্রবিরোধী।

উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একটি পক্ষ কেন্দ্র দখল করলে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। পরে নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দেয় তাঁরা।এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন গঠন ও তারিখ নির্ধারণ নিয়ে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করে আসছিলেন নির্বাচনে অংশ না নেওয়া পক্ষটি। নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র হিসেবে শিক্ষক লাউঞ্জ বেছে নিলে একইদিনে তাদের কর্মসূচি লাউঞ্জে দিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাউকেই লাউঞ্জ দেয়নি।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ - ক্যাম্পাস