ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ক্যাম্পাস
  4. খেলা
  5. জবস
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. বিনোদন
  9. রাজনীতি
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
  14. স্বাস্থ্য

‘কাউকে জানালে আবরারের মতো তোরও একই অবস্থা হবে’- রাবি ছাত্রলীগ নেতা

প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, রাবি
আগস্ট ২০, ২০২২ ১:০২ পূর্বাহ্ণ

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর সাহার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে রুমে ডেকে নিয়ে পেটানো ও ২০ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের ঘটনা কাউকে জানালে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের মতো অবস্থা করারও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট ) বিকালে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার রুমে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভুক্তোভোগী শিক্ষার্থী। তিনি রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূরের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযুক্ত ওই নেতা শাখা ছাত্রলীগ নেতা ভাস্কর রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর অনুসারী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং মতিহার হলের ১৩২ নম্বর রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম সামছুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও মতিহার হলের ১৫৯ নম্বর রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী।

লিখিত অভিযোগে সামছুল ইসলাম জানান, তিনি মতিহার হলের ১৫৯ নম্বর রুমের একজন আবাসিক শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি মোবাইল সার্ভিসিং করে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং পরিবার চালান। গত ১৫ আগস্ট মতিহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর সাহা তাকে ফোন দিয়ে দেখা করার কথা বলেন। পরে দেখা করলে ভাস্কর চাঁদা দাবি করেন। এরপর টাকার জন্য প্রতিনিয়ত ফোন দেন এবং মানসিকভাবে টর্চার করতে থাকেন। টাকা দিতে না পারায় বিকাল ৩টায় ভাস্কর সাহা সামছুলকে রুমে ডেকে নেন। সেখানে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত আটকে রেখে রড ও স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর করেন।

নির্যাতনের বিষয়ে সামছুল বলেন, ‌‘ভাস্কর আমাকে চাকু ঠেকিয়ে সঙ্গে থাকা ২০ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। বিষয়টি কাউকে জানালে আবরারের মতো আমার অবস্থা করার হুমকি দেয় সে। এ অবস্থায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে মতিহার হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর সাহা বলেন, ‘সামছুলের সঙ্গে আমার এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আমি জানি সে আমার হলে মোবাইল সার্ভিসিং করে। মোবাইল ঠিক করার জন্য আমার দুই ছোট ভাই তাকে ফোন দেওয়ার কথা বলে। সে বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হয়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘বিষয়টা আমরা দেখছি৷ সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর বলেন, ‘একজন ছাত্র লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। আমি তার শরীরের আঘাতের চিহ্নও দেখেছি। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী একটি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানতে পেরেছি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুসারে এ ঘটনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ - ক্যাম্পাস