কালোরাত স্মরণে কুবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

কুবি প্রতিনিধি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:২৮ PM, ২৫ মার্চ ২০২১

২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত স্মরণে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫শে মার্চ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৃথক পৃথকভাবে মোমবাতি জ্বেলে ২৫শে মার্চের ভয়াবহতা স্মরণ করে বেশ কয়েকটি সংগঠন।

সন্ধ্যা সাতটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদের ড. দুলাল-ড. জুলহাস নেতৃত্বাধীন অংশের উদ্যোগে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এসময় এ অংশের সাধারণ সম্পাদক ড. জুলহাস মিয়ার সঞ্চালনায় এবং সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. শামিমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, আইন অনুষদের ডিন মো. রশিদুল ইসলাম শেখ, ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যলয়ের পরিচালক অধ্যাপক ড. জি.এম. মনিরুজ্জমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

এরপর বঙ্গবন্ধু পরিষদের ড. মিজান- নাসির অংশের উদ্যোগেও শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন এ অংশের সভাপতি ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং কার্যনির্বাহী সদস্য স্বপন চন্দ্র মজুমদার। তবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে মাত্র দু’জন কেন উপস্থিত ছিলেন-এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ অংশের সভাপতি বলেন, আগামীকাল ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমাদের শিক্ষকরা আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ আয়োজনে ব্যস্ত থাকায় এখানে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। সংখ্যাগত দিক নয়, বরং সম্মান জানানোটাই মুখ্য ধরে আমরা এ কর্মসূচি পালন করেছি।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের সামনে ব্ল্যাক আউট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাংশের সাধারণ সম্পাদক ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট ড. মো. জুলহাস মিয়া, আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মু. আবু বকর সিদ্দিক (সোহেল), গণিত বিভাগের প্রভাষক মোঃ জনি আলম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সাধারণ সম্পাদক হানিফ ওয়াহিদ, কাজী নজরুল ইসলাম হলের সভাপতি ইমরান হোসাইনসহ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

এসব মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানে বক্তারা ২৫ মার্চের ভয়াবহতা স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ এর এই কাল রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে বাংলার নিরহ লক্ষ লক্ষ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা। আজকের এই দিনে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি সেসব শহীদদের যাদের আত্মত্যাগেই স্বাধীন এই বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন :