ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “নিরাপত্তা মঞ্চের’ গল্প

বিডি ক্যাম্পাস ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৪৭ PM, ১৬ এপ্রিল ২০২১

রাজধানীর আজিমপুর এলাকার একটি মেসে ভাড়া থাকেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রী। মেস মালিকের মানসিক অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন তারা। সর্বশেষ গত ৬ এপ্রিল ছাত্রীদের সাথে দুর্ব্যবহার করে মাঝরাতে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে ওই মেস মালিক। এক পর্যায়ে তিনি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে এবং ফ্লাটে তালা লাগিয়ে দেয়। ফলে মাঝরাতে আশ্রয়হীন অবস্থায় ছাত্রীরা ভীষণ নিরাপত্তাহীনতা পড়ে যায়। কোন উপায় না দেখে তারা তাৎক্ষণিকভাবে  বিষয়টি ঢাবির সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংগঠন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা মঞ্চ’কে জানায়। সংগঠনটির দ্রুত প্রচেষ্টায় স্থানীয় পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মেস মালিককে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেন। বর্তমানে এসব ছাত্রী নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণভাবে মেসে অবস্থান করছেন।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের সমস্যার সমাধান, বিপদে পাশে দাঁড়ানো ও মানবিক প্রয়োজনে এগিয়ে এসেছে। যার ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় সংগঠনটি। জানা গেছে, প্রতিদিনই তারা শিক্ষার্থীদের থেকে অসংখ্য অভিযোগ পান। প্রতিষ্ঠার মাত্র ৯ মাসে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের ৩০০টিরও বেশি অভিযোগের সুরাহা করেছে। যার অধিকাংশই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, সাইবার বুলিং, ইভটিজিং, ব্লাকমেইলিং, স্থানীয় বিরোধ, জমি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায়ভাবে হামলা, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত জটিলতা, ছিনতাই এবং শিক্ষার্থী হয়রানি সংক্রান্ত বিষয়।

এছাড়াও সংগঠনটি বিভিন্ন মানবিক আবেদনে সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশনি ও পার্ট-টাইম জবের ব্যবস্থা করছে। কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় শিক্ষার্থীরা ঘরবন্দী। এসময় শিক্ষার্থীরা মানসিক বিষন্নতার কারণে আত্মঘাতী সিদ্ধান্তও নিচ্ছে। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা মঞ্চ’ তাৎক্ষণিকভাবে এসব শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করছে।

সবাই মিলে গড়ি নিরাপদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ২০২০ সালের ২২ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপদ মঞ্চ’। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়াস সিজার তালুকদার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতা একটি অসহনীয় পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছিল এবং খুনের ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু তাদের পাশে দাঁড়ানোর কোন প্লাটফর্ম ছিল না বলেই শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জনিত প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া সংগঠনটির আর কোন উদ্দেশ্য নেই।

কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফেসবুকে তৈরি করা হয়েছে একটি গ্রুপ, যেখানে হয়রানির শিকার হওয়া শিক্ষার্থী অভিযোগ করতে পারবেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মিলবে সমাধান। ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থী যারা প্রশাসনের সাথে যুক্ত রয়েছেন এবং সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবকদের পারস্পরিক প্রচেষ্টায় ঢাবি পড়ুয়াদের যে কোনো প্রকার বৈধ আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রাপ্তি ত্বরান্বিত হচ্ছে। সংগঠনটির কাজ আরো ফলপ্রসূ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে চারটি টিম। প্রশাসনিক সহায়তা টিম, আইন সহায়তা টিম, সাইবার সিকিউরিটি টিম এবং নারী নিরাপত্তা টিম।

সবাই মিলে গড়ি নিরাপদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ২০২০ সালের ২২ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপদ মঞ্চ’। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়াস সিজার তালুকদার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতা একটি অসহনীয় পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছিল এবং খুনের ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু তাদের পাশে দাঁড়ানোর কোন প্লাটফর্ম ছিল না বলেই শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জনিত প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া সংগঠনটির আর কোন উদ্দেশ্য নেই।

কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফেসবুকে তৈরি করা হয়েছে একটি গ্রুপ, যেখানে হয়রানির শিকার হওয়া শিক্ষার্থী অভিযোগ করতে পারবেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মিলবে সমাধান। ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থী যারা প্রশাসনের সাথে যুক্ত রয়েছেন এবং সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবকদের পারস্পরিক প্রচেষ্টায় ঢাবি পড়ুয়াদের যে কোনো প্রকার বৈধ আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রাপ্তি ত্বরান্বিত হচ্ছে। সংগঠনটির কাজ আরো ফলপ্রসূ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে চারটি টিম। প্রশাসনিক সহায়তা টিম, আইন সহায়তা টিম, সাইবার সিকিউরিটি টিম এবং নারী নিরাপত্তা টিম।

আপনার মতামত লিখুন :