দুর্নীতির নয়, সর্বজনের অর্থে ও স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় চাই

মাহমুদ-আল হাসান আসিফ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:২৭ AM, ২৭ মে ২০২১

দুর্নীতির পথ ধরে তীর্থে যাত্রা করলে সেই তীর্থও যে পাপের আঁকড়ায় পরিণত হবে তাতে সন্দেহের অবকাশ নাই। একটা মন্দ সিস্টেমের মধ্য দিয়ে পায়ের মাটি শক্ত করা লোকজনদের দিয়ে মন্দ কিছু আশা করা যায়, সুন্দর কিছু নয়।

আপনারা জানেন সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুর্নীতিবাজ ভিসির অবৈধভাবে দেয়া ১৪১জন নিয়োগের কথা। যা ইউজিসির তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে। এর আগেও নিয়োগ নীতিমালা শিথিল করে তিনি নিয়োগ দিয়েছিলেন তার মেয়ে-জামাতা, প্রোভিসির আত্মীয়স্বজন ভাগনে, মেয়ে-জামাতা, কিছু শিক্ষকের সন্তানসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির ঘনিষ্ঠজনকে। যার মধ্যে ৩৪ জনের নিয়োগ অবৈধ উল্লেখ করে বাতিলের সুপারিশ করেছে ইউজিসি। সাবেক ভিসির জামাতা, প্রোভিসির ভাগনে সহ এই ৩৪ জনের অনেকেরই কুকীর্তির কথা পেপার পত্রিকা মারফৎ আপনারা জেনেছেন। দুর্নীতির সিস্টেম দিয়ে প্রবেশ করা মানুষ যে একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যেও কতটা ভয়াবহ হতে পারেন তার সাক্ষ্য ওনারা রেখেছেন। কিন্ত অনেকেরটা জানা হয়নি৷ তাই বলে ওনাদের অপকর্ম থেমে আছে এটা বলার অবকাশ নাই । শুধু ভিসি বা প্রোভিসির জামাতা, ভাগ্নেদের নয়, অবৈধভাবে শিক্ষকতার মত একটা মহান পেশায় নিযুক্ত হবার পর ওনারা একটা বিশ্ববিদ্যালয়কে কি কি উপহার দিলেন তা সবার সামনে আসা দরকার।

দুর্নীতিবাজদের একটা ডার্ক কানেকশনের সদস্য হয়েই ওনারা এসেছেন, আছেন এবং থাকবেন । কুকর্মকারীদের আঁকড়া থেকে কুকর্মের দোসরই জন্ম নেয়। এই ডার্ক কানেকশনের হাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে হবে। এই গরীব দেশের শ্রমজীবী মানুষের অর্থায়নে চলা বিশ্ববিদ্যালয় কোনোভাবে দুর্নীতির আস্তানায় পরিণত হতে পারেনা । আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় হবে সর্বজনের অর্থে এবং স্বার্থে।

লেখক: মাহমুদ-আল হাসান আসিফ

শিক্ষার্থী,রাজশাহী বিশ্ববিদালয়।

আপনার মতামত লিখুন :