নানা আয়োজনে ইবি’র ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, ইবি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  05:16 PM, 22 November 2021

 

দিনব্যাপি নানা আয়োজনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৪৩ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত হয়েছে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালি, আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার সকাল সাড় ১১ টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম এবং বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মাহাবুবুর রহমান। পতাকা উত্তোলন শেষে শান্তি ও আনন্দের প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আব্দুস সালাম। এসময় প্রো-ভিসি, রেজিস্টার, ট্রেজারার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে ভিসির নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাংলা মঞ্চে এসে মিলিত হয়। সেখানে ৪৩ তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভা ও কেক কাটা হয়। এসময় ৪৩ তম ইবি দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভিসি অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম । বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রেজিস্ট্রার (দায়িত্ব প্রাপ্ত ) এটিএম এমদাদুল আলম । অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বাকী বিল্লাহ বিকুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন,’ অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৫১৪ জন শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছে যেখানে অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা তিনশতে পৌঁছায়নি। এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। অবকাটামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্নভাব ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে’।

পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এছাড়া বাদ যোহর ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মসজিদ ও হল মসজিদগুলোতে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন :