নিখিল বঙ্গ বিয়ে খাওয়া কমিটির সম্পাদক মোল্লাকে বহিস্কার

মৌচাকে ঢিল ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:১৩ PM, ২৯ এপ্রিল ২০২১

নিখিল বঙ্গ বিয়ে খাওয়া কমিটির (নিব্বিখাক) সাধারণ-সম্পাদক মোল্লা মোহাম্মদ সাঈদ কে অবৈধ অর্থ লেনদেন ও একটি বিশেষ মহলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে নিব্বিখাক থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।

আজ বিকালে নিখিল বঙ্গ বিয়ে খাওয়া কমিটির সভাপতির সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বহিস্কারের এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় প্রিয় শায়েখের বিদায় উপলক্ষ্যে নিখিল বঙ্গ বিয়ে খাওয়া কমিটির “কি করে সইব তব বিদায় এখন” আয়োজনকে ঘিরে বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক এবং আয়োজনের সঞ্চালক মোল্লা মোহাম্মদ সাইদ এর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে একটা মহলকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার মতো ঘোরতর অভিযোগ ওঠায় স্বাধীন তদন্তের স্বার্থে তার পদাধিকার এবং পদটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হইলো।এবং তাকে সাময়িক সময়ের জন্য বহিস্কার করা হলো।
এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়,
“শাইখুল ফটো(আলোকচিত্রী)
মোল্লার মদদেই আনভীর সোবাহানের ছবি ব্লার করা হয়েছে। প্রিয় শায়েখের নামের সাথে মিল থাকায় মোল্লা এটি করে থাকতে পারে তবে সামনেই আমরা গণশুনানি ও গণ ঘৃণা প্রদর্শন করব। তার মাধ্যমে বিজ্ঞ প্রধান ব্যক্তিগণ মোল্লা মোহাম্মদ সাঈদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ফল ঘোষণা করবেন। তবে আগামীকালের ভেতর মোল্লা মোহাম্মদ সাঈদ কে কেনো স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না সেই মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশও প্রেরণ করা হয়েছে”।

বহিস্কারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিব্বিখাক (বর্তমানে বহিষ্কৃত) সাধারণ সম্পাদক মোল্লা বলেন,
“শৈশবের স্বপ্ন, কৈশোরের আরাধনা, যৌবনের প্রথম প্রেম প্রিয় সংগঠন নিখিল বঙ্গ বিয়ে খাওয়া কমিটি (নিব্বিখাক)। “কি করে সইবো তব বিদায় এখন” অনুষ্ঠানকে ঘিরে আমার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে একটা মহলকে বিশেষ আনুকূল্য পাইয়ে দেওয়ার মতো ঘোরতর মিথ্যা অভিযোগ উঠেছে। এমন জরুরি পরিস্থিতিতে সংগঠন আমার পাশে না দাঁড়িয়ে নিব্বিখাকে ঘাপটি মেরে থাকা মাননীয় উপাচার্য মহোদয় বিরোধী শিক্ষক শিবিরের দালালদের ( পেইড এজেন্টস) অপতৎপরতায় অসতর্কতাবশতই আমার বিরুদ্ধে নানাবিধ অপপ্রচারে প্রছন্নভাবে সাহায্য করছে। আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশ্বস্ত করছি, এমন কোন অনৈতিক কর্মকান্ডে আমি জড়িত না। এটা আমার বিরুদ্ধে নির্জলা মিথ্যাচার, উবেষাদি,বিষোদগার বৈকি আর কিছুই নয়। নিতান্তই আমার চরিত্রে কালিমালেপনের মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠানের মূল চেতনা এবং স্যারের বিদায়কে বিতর্কিত করার হীন অপপ্রয়াস।
দৃঢ় প্রত্যয়ে সবাইকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, বিশ্বাস রাখুন সময়ের সাথে সবকিছু সূর্যের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে। এবং এই মহতী আয়োজন তার মূল চেতনায় অদম্য গতিতে এগিয়ে যাবে।”

প্রগতিশীল তরুণ বুদ্ধিজীবী ও তামাক বিরোধী জোটের (তাবিজ) মহাসচিব প্রসেনজিৎ কুমার বলেন,
বিষয়টা তদন্ত করা উচিত। বিরোধী শিবিরের চক্রান্ত কখনোই মেনে নেয়া উচিত না৷ এর সাথে আনভীর সোবহানের কোন সম্পর্ক অাছে কিনা সেটাও দেখা দরকার। সে যদি বিভ্রান্ত হয়ে দিকভ্রান্ত না হয় সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। অামরা অাশাবাদি প্রিয় শায়েখ ভুল বুঝতে পেরে ফিরে অাসবে৷

উল্লেখ্য বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যতম সংগঠন নিখিল বঙ্গ বিয়ে খাওয়া কমিটি বারবার আলোচনায় আসছে।এর আগে সভাপতির ফেসবুক আইডি হ্যাক করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস করার হুমকি দিয়েছিলেন ভিসি বিরোধী শিক্ষক শিবিরের নেতা-কর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন :