নোবিপ্রবির উদ্যোগে মৎস্য “অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা” অনুষ্ঠিত

মাইনুদ্দিন পাঠান, নোবিপ্রবি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:৩৩ AM, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) মৎস্য ও সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত Program Based Research Grant (PBRG) উপ-প্রকল্পের (ID 011) আওতাধীন সুবিধাভোগী খামারিদের নিয়ে এক “অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) এই উপ-প্রকল্পটি বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সমন্বয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে গত তিন বছর যাবত ৫ এপ্রিল ২০১৮ হতে ৩ এপ্রিল ২১ পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছে নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ৯৩ নং সল্যা গ্রামে।

উক্ত উপ-প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার নুর মোহাম্মদ সেলিম এর সঞ্চালনায় শুরু হওয়া কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির মৎস্য ও সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও উপ-প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন। কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মোঃ মিলন সরকার, আস-আদ উজ্জামান নুর, মোঃ মওদুদ আহমেদ, ফারজানা হক পিংকি ও পার্থ বনিক। এছাড়াও উক্ত কর্মশালায় উপ-প্রকল্পের আওতাধীন সকল সুবিধাভোগী খামারিগণও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠিত কর্মশালাটির প্রধান অতিথি ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন গৃহস্থালি সংলগ্ন পুকুরের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলেন নোয়াখালী অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে একটি করে গৃহস্থালি পুকুর আছে যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চিতকরনে, আয় সৃষ্টিতে এবং অপুষ্টি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি উপ-প্রকল্পের গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকে বলেন, গৃহস্থালি সংলগ্ন পুকুরে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাছ চাষ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু নোয়াখালী অঞ্চলের গৃহস্থালি সংলগ্ন পুকুরে মাত্র ৫-৬ মাস পানির প্রাপ্যতা থাকে সেহেতু আমরা উন্নীত আঙ্গুলিপোনা (১৫০-২০০ গ্রাম) মজুদ করলে তা স্বল্প সময়ের মধ্যে খাবার উপযোগী হবে। তিনি আরও বলেন যে, আমরা প্রতিবার মাছ সরবরাহের পূর্বে ও পরে স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত নির্দেশক সমুহ যেমন Body Mass Index (BMI), Mid-Upper Arm Circumference (MUAC), Haemoglobin level (Hb) পরিমাপ করেছি যা স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত অবস্থার কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করেছি। উক্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী উপ-প্রকল্পের সুবিধাভোগী বেশ কিছু খামারিও গৃহস্থালি পুকুরে মাছ চাষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মাছের চাহিদা পূরণ ও আর্থিকভাবে লাভবান হবার বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। কর্মশালা শেষে সঞ্চালক উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন :