প্রেমঘটিত কারণেই আত্মহত্যা করেছে ইরা, হবে মামলা


  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:৫৬ AM, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের মোবাসসিরা তাহসিন ইরা নামে এক ছারী আত্মহত্যা করেছেন। গত শনিবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত তিনটার দিকে নগরীর মির্জাপুর এলাকায় একটি আবাসিক ছাত্রী হোস্টেল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে মতিহার থানার পুলিশ।
আত্মহত্যার পেছনে প্রেম সংক্রান্ত ব্যাপার রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছেন পুলিশ।
ইরার বাড়ি নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায়। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ও মা একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন বোনের মধ্যে ইরা দ্বিতীয়।
ইরার পরিবারও বলছে, তিনি প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করেছেন। রবিবার (৩১ জানুয়ারি) তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মরদেহ নিতে রাজশাহীতে আসেন ভগ্নিপতি ইজাজ আহমেদ।
তিনি বলেন, ইরার এক বান্ধবী ফোন করে জানায় সে আত্মহত্যা করেছে। ইরার সঙ্গে সাব্বির নামের এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তিনি থাকেন চট্টগ্রামে। তাদের প্রেমের সম্পর্কে ঝামেলা চলছিল, কিন্তু আত্মহত্যা করবে এমনটা আমরা কখনো ভাবিনি।
তিনি আরো বলেন, ইরার সঙ্গে ওই ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ৩-৪ বছরের। সে ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজে পড়তো। ক্যাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে হয়তো ওই ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলা করা হবে বলেও তিনি জানান।
তদন্ত কর্মকর্তা ও মতিহার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শিউলি খানম বলেন, আমরা জানতে পেরেছি প্রেমঘটিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যার আগের ছাত্রীনিবাসে কারো সঙ্গে মোবাইল ফোনে উচ্চস্বরে কথা বলেছেন, এমন তথ্য জেনেছি। তার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কার সঙ্গে কী ধরনের কথাবার্তা হয়েছে এবং মোবাইলের কল রেকর্ড সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব থেকে আরো তথ্য জানা যাবে।
ছাত্রীনিবাসে থাকা এক ছাত্রী বলেন, তাদের সম্পর্কে প্রায়ই ঝামেলা হতো। মাঝে মাঝেই তারা ঝগড়া করতেন। ইরা এ নিয়ে হতাশায় থাকতেন, মন খারাপ করে থাকতেন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রবিবার ইরার মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়। পরে মরদেহ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :