ঢাকা২৩শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

মদ বহনকারী জাবির অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের ক্ষতিপূরণ দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, জাবি
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৩ ৭:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মদ বহনকারী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়ে উপাচার্য বরাবর আবেদনপত্র প্রদান করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি এতে দুর্ঘটনার বৃত্তান্ত ও ভুক্তভোগীদের শোচনীয় অবস্থার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

সোমবার(২০ ফেব্রুয়ারি) উপাচার্যের কাছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য ফরহাদ হোসেন এ আবেদনপত্র প্রদান করেন।
আবেদনপত্রে বলা হয়, ‘গত ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) এলাকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অ্যাম্বুলেন্স একটি ইজিবাইককে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। অ্যাম্বলেন্সটির লাইসেন্স নম্বর ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-৪৫৪৫ এবং সেটির চালক ছিল রিপন হাওলাদার। অ্যাম্বুলেন্সটির ধাক্কায় ইজিবাইক চালক নিহত হন। ওই ইজিবাইকে আমার পরিবারের চার জন যাত্রী ছিলেন। তারা হলেন- আমার বোন কাকলি আক্তার(২৬), তার স্বামী সবুজ আহমেদ(৩০), তাদের ২৬ মাসের শিশু সন্তান শোয়াইব এবং ১৪ বছরের ভাতিজি জান্নাত। তাদের মধ্যে কাকলি চার মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা ছিলেন। ঘটনাস্থলেই ইজিবাইকে থাকা অন্তসত্ত্বা নারীর পেটের সন্তান নিহত হয়। এছাড়াও সকলেই গুরুতর আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাদেরকে সাভারের এনাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের অবস্থা আরও গুরুতর হলে সেখান থেকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১লা ফেব্রুয়ারী কাকলী আক্তারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে গর্ভ থেকে মৃত সন্তান বের করা হয়।’
এছাড়া, এরমধ্যেই প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানায় ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের আবেদনপত্র পেয়েছি। সমাবর্তনের ব্যস্ততা শেষে এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।
জানা যায়, মওলানা ভাসানী হলের ১ম পুণর্মিলনী উৎসব উদযাপনের জন্য অ্যাম্বুলেন্সটিতে মদ আনা হচ্ছিল।