ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ক্যাম্পাস
  4. খেলা
  5. জবস
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. বিনোদন
  9. রাজনীতি
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
  14. স্বাস্থ্য

রাবি অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের

প্রতিবেদক
bdcampus
অক্টোবর ৪, ২০২২ ১০:০৭ অপরাহ্ণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান— রাজশাহী ইন্সটিটিউট অব বায়োসায়েন্সেস-এ অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে। এছাড়া শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছে বলে জানান ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগের কথা জানান শিক্ষার্থীরা। এছাড়া, অনিয়ম রোধে তাদের ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো: একটি কার্যকর গভর্নিং বডি গঠন করা, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অবৈধ হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতি রোধ করা, স্থায়ী ক্যাম্পাস ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, যোগ্য ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, ল্যাব ও লাইব্রেরীর পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা, ধারাবাহিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখা এবং সেমিস্টার ফি নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইন্সটিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সারুল বলেন, ‘ভর্তির শুরুতে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার নামে শিক্ষার্থীদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখানে ভর্তি হতে উৎসাহিত করা হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানকে আই.বি.এ-এর মতোই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ইন্সটিটিউট হিসেবে উপস্থাপন করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ব্যতীত সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বিভিন্ন আশার বাণী শুনিয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা করে। যখন আমাদের সামনে তাদের প্রতারণাপূর্ণ আচরণ দৃশ্যমান হয় তখন আমরা প্রতিবাদ করি এবং আমাদের প্রতিবাদের ফলে উনারা আমাদের আশ্বাস দেয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের পাশে একটা জায়গা কেনা হয়েছে যার নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করে, স্থায়ীভাবে সেখানে স্থানান্তরিত করা হবে। কিন্তু বছর পেরোলেও আমরা এমন কোনো উদ্যোগ নিতে দেখিনি।’

এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, এই ইন্সটিটিউটের চারজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রয়েছেন। যারা হলেন: উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান অধ্যাপক ড. এফএম আলী হায়দার, ড. হাফিজুর রহমান, ড.এম মঞ্জুর হোসেন এবং রাবির সাবেক উপাচার্য আব্দুস সোবহানের পুত্র মুশফিক সোবহান। ‘প্রতিষ্ঠাতা সদস্য চারজন হলেও ইন্সটিটিউটের কার্যক্রমে আমরা ড.এফ এম আলি হায়দার এবং ড. হাফিজুর রহমান স্যারের একচ্ছত্র আধিপত্য দেখতে পাই।’

এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক এ.এম শহীদুল আলমকে এসব অভিযোগ সম্পর্কে অবহিত করা হলে তিনি জানান, ‘বিষয়টি যেহেতু তদন্তনাধীন; তাই আমি এখনই কোনো মন্তব্য কর‍তে চাচ্ছি না।’

তবে ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ ড. হাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের সবগুলো দাবি মিথ্যা বলবো না। নতুন প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আমাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে রাবি প্রশাসনের দিকনির্দেশনা মোতাবেক আমাদের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নতুন ব্যাচ ভর্তি করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে নিষেধ করা হয়েছে। সেই আলোকে, আমরা এই বছর নতুন ব্যাচ ভর্তি করিনি।

সার্বিক বিষয়ে, রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত, তাই শিক্ষার্থীদের অবশ্যই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিক পাঠদান কর্মসূচি পালন করে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সচেতন থাকতে হবে। শিক্ষা কার্যক্রম সুনিশ্চিত করতে খোঁজ-খবর রাখাও আমাদের দায়িত্ব। তাই তাদের পাঠদান কার্যক্রম ও আর্থিক বিষয়টি দেখভালের জন্য ইতোমধ্যে দুটি তদন্ত কমিটি কাজ করছেন বলে জানান তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ - ক্যাম্পাস

আপনার জন্য নির্বাচিত