রাবি প্রশাসন আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে

উমর ফারুক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:১৫ PM, ২৩ জুন ২০২১

চাকরী স্থায়ীকরণ ও দ্রুত যোগদানের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসির শেষ কর্মদিবসে বির্তকিত নিয়োগ পাওয়া ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা। নিয়োগে যোগদানের বিষয়ে সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন করছে এসব নেতাকর্মীরা।
তবে গত ২১ জুন সোমবার রাজশাহীর আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যস্ততায় আন্দোলন স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘অবৈধ’ নিয়োগপ্রাপ্তরা।
কিন্তু তাদের এমন সমাধানের আশ্বাসের পরও কেন এমন আন্দোলন সে বিষয়ে কথা বলা হয় আন্দোলনকারীদের একজন মাহফুজ আল আমিনের সাথে।
তিনি বলেন, আলোচনায় কথা হয়েছিল আমাদের পদায়ন করা ব্যতীত বিশ্ববিদ্যালয় কোন সভা, সিন্ডিকেট করবে না৷ কিন্তু আমাদের সাথে এবং স্থানীয় অভিভাবকদের সাথে এক ধরণের প্রতারণা করে গতকাল সিন্ডিকেট মিটিং করার চেষ্টা করেছে। যা প্রতারণার শামিল।

তিনি আরো বলেন, আমরা সিন্ডিকেট মিটিং-এ আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সংবাদ পেয়েছি। আমাদের পদায়নের আগে আমরা এই মিটিং হতে দিতে পারি না। তারা আমাদের নিয়ে ভাবছে না বরং নিজেদের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ব্যস্ত। প্রসঙ্গত, চাকরী নিশ্চিত ও যোগদানের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে আন্দোলন করে আসছে নিয়োগপ্রাপ্তরা।

চাকরীতে যোগদানের দাবিতে গত ১৯ জুন থেকে লাগাতার আন্দোলন করে আসছে তারা। এমনকি প্রশাসন ভবন, সিনেট ভবন ও উপাচার্য বাসভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয়। চাকরী নিশ্চিত ও যোগদানের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত না আসলে পুনরায় আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ারিও দিয়ে ছিলো আন্দোলনকারী এসব নিয়োগপ্রাপ্তরা।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের কাছে দ্বারস্থ হয় নিয়োগপ্রাপ্তরা। স্থানীয় আওয়ামী লীগ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার রাতে তালা খুলে দেন।

পরবর্তীতে গতকাল মঙ্গলবার(২২জুন) সন্ধ্যা সাতটায় উপাচার্য ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা অনুষ্টিত হওয়ার খবর শুনে তার পূর্বে ৬টার দিকে নিয়োগ পাওয়া ছাত্রলীগের নেতারা ভবনের গেটে অবস্থান নেন। এদের মধ্যে কয়েকজনকে সেখানে শুয়ে অবস্থান নিতেও দেখা যায়। আন্দোলনের তোপের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মিটিং স্থগিত করতে বাধ্য হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত তাদের ভিসির বাসভবনে সামনেই অবস্থান করতে দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :