সাত কলেজের ২৩৯৯ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস

বিডি ক্যাম্পাস ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:০৮ PM, ১০ এপ্রিল ২০২১

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যবহার করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২ হাজার ৩৯৯ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে। ব্যবহারকারীর গোপন নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছে একটি লো লেভেল হ্যাকিং প্ল্যাটফর্ম-প্রযুক্তি। মঙ্গলবার ‘বিজনেস ইনসাইডার’ এ তথ্য প্রকাশ করেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

সাত কলেজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা কলেজের ১ হাজার ৩৯২ জনের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি তিতুমীর কলেজের ৫২৬ জনের, সরকারি বাঙলা কলেজের ১৮৯ জনের, ইডেন মহিলা কলেজের ১৩৪ জনের, কবি নজরুল সরকারি কলেজের ৭৮ জনের, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ৬৯ জনের ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ১১ জনের তথ্য ফাঁস হয়েছে। এর আগে গতকাল ‘ঢাকা কলেজের ৯৫৮ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় ৷ সর্বশেষ এই তথ্য ১ হাজার ৩৯২ জনে দাঁড়িয়েছে ৷

তবে এই ২ হাজার ৩৯৯ জনের ফেসবুক আইডিতে কলেজগুলোর নাম যুক্ত রয়েছে। এছাড়াও আইডিতে কলেজের নাম যুক্ত নেই এমন অনেকেই থাকতে পারেন, তাই তাদের কলেজের শিক্ষার্থী হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না। আইডি খোঁজার ক্ষেত্রে ‘Dhaka College, ঢাকা কলেজ, Eden Mohila College, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, Titumir College, বাঙলা কলেজ, Bangla college, Shahid Suhrawardy College, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, Begum Badrunnessa government College, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ’ কিওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে- ফেসবুক ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, ফেসবুক আইডি, নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, প্রোফাইল ও ইমেইল। এ তালিকায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রয়েছেন।

সম্প্রতি ১০৬টি দেশের ৫৩ কোটি ৩০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য হ্যাকিংয়ের শিকার হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের মোট ৩৮ লাখ ১৬ হাজার ৩৩৯ জনের তথ্য রয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ করে একটি লো-লেভেল হ্যাকিং প্ল্যাটফর্ম-প্রযুক্তি বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। এতে ব্যবহারকারীর ফোন নম্বরসহ অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যক্তিগত সব তথ্য ফাঁস করেছে চক্রটি। অনেকটা বিনামূল্যে এসব তথ্য অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অবশ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি পুরোনো এবং এটি ঘটেছে ২০১৯ সালে। বছর দেড়েক আগেই নিরাপত্তার ফাঁকফোকরগুলো বন্ধ করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন দেশের সরকার এখন এ নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।

জাগো নিউজ

আপনার মতামত লিখুন :