৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

বিডি ক্যাম্পাস ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:০৪ AM, ০১ মার্চ ২০২১

 

ইলিশ রক্ষায় পাঁচটি অভয়াশ্রমে গতকাল রোববার রাত ১২টা থেকে সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস অভয়াশ্রমগুলোতে মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। জেলেদের সচেতন করতে জেলেপাড়া ও আড়তগুলোতে মাইকিং করে, লিফলেট বিতরণ ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ নদনদীতে ইলিশের মোট অভয়াশ্রম ছয়টি। প্রতিটিতে দুই মাস করে শুধু ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে অন্য মাছ ধরার অজুহাতে নদীতে নেমে জেলেরা যাতে ইলিশ নিধন করতে না পারে, সেজন্য নিষেধাজ্ঞাকালীন সব ধরনের জেলে নৌকা নামা পুরোপুরি নিষিদ্ধ থাকে।

ছয়টি অভয়াশ্রমের মধ্যে আন্ধারমানিক নদীর ৪০ কিলোমিটারে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা ছিল ১ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আজ ১ মার্চ থেকে অবশিষ্ট পাঁচটিতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

এই পাঁচটি অভয়াশ্রমের সীমানা হচ্ছে- চর ইলিশার মদনপুর থেকে ভোলার চরপিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শাহাবাজপুর চ্যানেলের ৯০ কিলোমিটার, ভোলার ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালীর চররুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ১০০ কিলোমিটার, চাঁদপুরের ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর ১০০ কিলোমিটার, শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে ভেদরগঞ্জ পর্যন্ত নিম্ন পদ্মার ২০ কিলোমিটার এবং বরিশাল সদর উপজেলার কালাবদর নদীর হবিনগর পয়েন্ট থেকে মেহেন্দীগঞ্জের বামনীরচর, মেহেন্দীগঞ্জের গজারিয়া নদীর হাটপয়েন্ট থেকে হিজলা লঞ্চঘাট, হিজলার মৌলভীরহাট পয়েন্ট থেকে মেহেন্দীগঞ্জ সংলগ্ন মেঘনার দক্ষিণ-পশ্চিম জাঙ্গালিয়া পয়েন্ট পর্যন্ত মোট ৮২ কিলোমিটার নদনদী। এ সীমানার মধ্যে থাকা নদীগুলো হচ্ছে মেঘনা কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ, নয়ভাঙ্গুলী, গজারিয়া ও কীর্তনখোলার আংশিক।

মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশালের উপপরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার বলেন, এবার নিষেধাজ্ঞার সময় প্রণোদনা হিসেবে জেলেদের প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।

চাঁদপুরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী বলেন, কোনো জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :